
এইকাল নিউজ:
রাজ্যসভার চার প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল।রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে দিল তৃণমূল। শুক্রবার রাতে তৃণমূলের তরফে জানানো হল, রাজ্য পুলিশের সদ্য প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে রাজ্যসভায় পাঠানো হচ্ছে। শুধু রাজীব নন, রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হয়েছে রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে। এ ছাড়াও, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল।আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি আসনও রয়েছে। বিধায়কদের সংখ্যার নিরিখে চারটি আসনে তৃণমূল এবং একটিতে বিজেপির জয় নিশ্চিত।কয়েক দিন আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজীব। সেই পর্ব থেকেই রাজ্যসভায় রাজীবের যাওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল শাসকদলের অন্দের। অনেকের বক্তব্য, একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে গেলে নেপথ্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জোর প্রয়োজন হয়। রাজ্য সরকার ও শাসকদলের সেই জোর নিয়ে রাজীব মামলাটি করেছেন বলে অভিমত অনেকের। সুকান্ত লোকসভার সাংসদ। রাজীব যাচ্ছেন সংসদের উচ্চকক্ষে। ফলে লড়াই হবে সেয়ানে-সেয়ানে।বাবুল যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বালিগঞ্জে দাঁড়াচ্ছেন না, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাঁকে কোথায় দাঁড় করানো হবে তা নিয়ে নানাবিধ মত ছিল শাসকদলের অন্দরে। তৃণমূল সূত্রে খবর, বাবুলকে প্রথমে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য। কিন্তু বাবুল তাতে মৃদু অনুযোগ জানিয়েছিলেন বলে খবর। তা ছাড়া বাবুল আগামী কয়েক বছর নিজের সঙ্গীতের কাজকর্মে মনোনিবেশ করতে চান। ফলে বিধানসভায় তাঁকে দাঁড় করালে রাজ্যে মন্ত্রী করতে হত। কারণ মন্ত্রী হিসাবে তাঁর কাজের প্রশংসা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। আবার মন্ত্রী হলে গান-বাজনায় সে ভাবে মন দিতে পারা বাবুলের পক্ষে মুশকিল হত। কিন্তু রাজ্যসভায় বাবুলকে পাঠানোয় তাঁর রাজনৈতিক মর্যাদা এবং আনুষাঙ্গিক কাজ সবই বজায় থাকবে।

